নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা:
ডিজিটাল মাধ্যমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ "সেরা মিডিয়া ও আইটি কর্মী" হিসাবে সম্মানিত হয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার কর্মী সোহাগ আলী। তিনি জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত বাংলা টিভি’ এবং ‘মুক্ত বাংলা আইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
২০ জুন (২০২৬) শনিবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে তাঁর হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। ‘মেধা ও মননশীলতা বিকাশে বদ্ধপরিকর’ এই প্রত্যয়কে ধারণ করে দেশের অন্যতম স্বনামধন্য প্রথম শ্রেণির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রয়েল পাবলিকেশন ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা-২০২৬’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রয়েল পাবলিকেশনের কর্ণধার মো. মনিরুল ইসলাম (রয়েল)-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্য, প্রকাশনা, মিডিয়া ও শিল্প-সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২০ জন গুণী ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠসৈনিক ডা. অরূপরতন চৌধুরী, দৈনিক নয়া দিগন্তের সাহিত্য সম্পাদক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জামসেদ ওয়াজেদ, বীজবিস্তার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. এম. এ. সোবহান এবং দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রকাশক ও সম্পাদক অশোক ধর।
অনুষ্ঠানে ‘সেরা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার’ বিভাগে সাহিত্য সম্মাননা লাভ করেন ডা. অরূপরতন চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক জামসেদ ওয়াজেদ, খান আখতার হোসেন, উম্মে কুলসুম ঝুমু, সিফাত নুসরাত এবং অধ্যাপক রোকেয়া বেগম।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কৃতি সন্তান সোহাগ আলী বলেন, "দেশবরেণ্য এত এত গুণী সাহিত্যিক, কবি ও লেখকদের মাঝে উপস্থিত থাকতে পারা এবং এই সম্মাননা অর্জন করা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অনুপ্রেরণার। ডিজিটাল মিডিয়া, সামাজিক সচেতনতা ও আইটি খাতের প্রসারে আমি কাজ করে যাচ্ছি। ডিজিটাল যুগে আমাদের এই প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করার জন্য আয়োজক কর্তৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।"
দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল মিডিয়া, সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা এই তরুণ উদ্যোক্তা আরও জানান, আগামী বইমেলায় তাঁর একটি বিশেষ 'ড্রিম প্রজেক্ট' প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আয়োজনের সমাপনী বক্তব্যে রয়েল পাবলিকেশনের প্রকাশক মো. মনিরুল ইসলাম (রয়েল) বলেন, “সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদের উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। নতুনদের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।”
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লেখক, গবেষক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি একটি প্রাণময় সম্মিলনে পরিণত হয়।