বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনস্বার্থে প্রশাসন-পুলিশ ও সাংবাদিকদের একযোগে কাজের প্রত্যয়, বালিয়াডাঙ্গীতে ইফতার ও মতবিনিময় আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাণীশংকৈলে গৃহবধূ ও শিশুর ওপর হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ধানের শীষের জয়, ৩৭ বছর পর নতুন মুখ সংসদে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে: তুলি ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের প্রভাব পড়েছে: শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ্ মওলানা ভাসানীর ১৪৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এনডিপির শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রতিশ্রুতি গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ। রাণীশংকৈলে দৈনিক জনকন্ঠের সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি দলিত-হরিজনরা এখনো বৈষম্যের শিকার-শুভ চন্দ্র শীল

ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ির উঠানে ধরা পড়ল বিরল নারী ময়ূর

স্টাফ রিপোর্টার:

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার এক লোকালয় থেকে একটি বিরল প্রজাতির নারী ময়ূর (ময়ূরী) উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) বিকেলে পাখিটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ কুমার দেবনাথ।

এর আগে রবিবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে মিলন হকের বাড়ির উঠানে ময়ূরটি হঠাৎ ঢুকে পড়ে। পরে তিনি সেটিকে আটকে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। রাতেই গ্রাম পুলিশের সহায়তায় ময়ূরটিকে ইউএনওর কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। ইউএনও রাতেই পাখিটিকে নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে পরদিন বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

পাখিটি আটক করা মিলন হক বলেন, “গত শনিবার আমাদের আশপাশের গ্রামগুলোতে ময়ূরটিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। অনেকে ধরার চেষ্টা করলেও পারেনি। রোববার দুপুরে হঠাৎ আমার বাড়ির ভেতরে চলে এলে আমি সেটিকে আটকে ফেলি এবং পরে ইউএনওর কাছে হস্তান্তর করি। যেহেতু আমাদের বাড়ি সীমান্ত এলাকায়, তাই ধারণা করছি এটি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে এসেছে।”

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনিল কুমার জানান, “ইউএনওর মাধ্যমে পাওয়া পাখিটি একটি নারী ময়ূর, যাকে আমরা ময়ূরী বলি। সাধারণত এই প্রজাতির ময়ূর ভারত, শ্রীলঙ্কায় দেখা যায়, তবে মাঝে মধ্যে বাংলাদেশেও বিচরণ করতে দেখা যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ বলেন,”রবিবার রাতে ফতেপুর গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি ময়ূরটি আমার কাছে হস্তান্তর করেন। আমি রাতেই সেটিকে খাবার দিয়ে নিরাপদে রাখি। পরদিন বিকেলে বন বিভাগের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।”



লাইক করুন