শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিজিটাল মাধ্যমে বিশেষ অবদান: সেরা মিডিয়া ও আইটি কর্মীর সম্মাননা পেলেন সোহাগ আলী। বছরব্যাপী কর্ম মূল্যায়নে সেরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয় রায় সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন সাফল্যের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে বিপদ: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের শিক্ষা- ড. এস কে আকরাম আলী জনগণ ও সংসদ – অধ্যাপক ড. এস কে আকরাম আলী ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন ভোলার রেদোয়ান আসিফ বালিয়াডাঙ্গীতে তেল পাচারের অপরাধে দুজনকে অর্থদণ্ড সড়ক সংস্কারে অনিয়ম: ডিসি ও ইউএনও’র ঘটনাস্থল পরিদর্শন, তদন্তের আশ্বাস জনস্বার্থে প্রশাসন-পুলিশ ও সাংবাদিকদের একযোগে কাজের প্রত্যয়, বালিয়াডাঙ্গীতে ইফতার ও মতবিনিময় আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যে ভাইকে আমি রেখে এসেছিলাম সেই ভাই আর নেই-তারেক রহমান।

যে ভাইকে আমি রেখে এসেছিলাম সেই ভাই আর নেই-তারেক রহমান।
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কী বলেছিলেন তার একাংশ এইখানে তুলে ধরা হলো:
বিবিসি বাংলা: আপনি জুলাইয়ের সময়ের কথা বলছিলেন। সে সময়ের হত্যাকাণ্ডের কথা বলছিলেন। সেই জুলাই গণভুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ব্যাপারে আপনার আপনাদের বা বিএনপির অবস্থানটা কী আসলে?
তারেক রহমান: দেখুন, আমি ১৭ বছর যাবত প্রবাস জীবনে আছি। ওয়ান ইলেভেন, তথাকথিত ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় যেই শারীরিক নির্যাতন আমার উপরে হয়েছিল তারপরে চিকিৎসার জন্য আমি এই দেশে আসি।
আমি যখন এখানে আসি, আমার ভাইকে আমি রেখে এসেছিলাম ছোট ভাইকে। আমি যখন এই দেশে আসি আমার সুস্থ মাকে আমি রেখে এসেছিলাম। একটি ঘর রেখে এসেছিলাম। যেই ঘরে আমি এবং আমার ছোট ভাই বড় হয়েছি। যেই ঘরে আমার বাবার স্মৃতি ছিল। যেই ঘরে আমাদের দুই ভাইয়ের সন্তানরা জন্মগ্রহণ করেছিল। যেই ঘরে আমার মায়ের বহু স্মৃতি ছিল।
সেই স্মৃতিগুলোকে ভেঙে চুড়ে ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে ভাইকে আমি রেখে এসেছিলাম সেই ভাই এখন আর নেই। যেই সুস্থ মাকে রেখে এসেছিলাম সেই সুস্থ মা এখন সুস্থ নেই। শুধু অসুস্থই নন, উনার উপরে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনও করা হয়েছে।
আমি আমার পরিবারের যেই কাহিনী আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। এটিকে আপনারা কাহিনী বলুন, বা সংগ্রাম বলুন যেটাই বলুন না কেন, এটি শুধু আমার কাহিনী না, বা আমার পরিবারের কাহিনী না। এরকম কাহিনী বাংলাদেশের শত না, হাজার হাজার পরিবারের।
যে পরিবারের বাবা, যে পরিবারের ভাই, যে পরিবারের স্বামী তার ঘরবাড়ি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় হাসপাতালের বারান্দায় মারা গিয়েছে, তা না হলে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় জেলের ভিতরে মারা গিয়েছে, সহায় সম্পত্তি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে- এই সকল অন্যায়, এই সকল হত্যা, এই সকল নির্যাতনের জন্য যারা দায়ী, যারা এসবের হুকুম দিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার হতে হবে।
এটি প্রতিশোধের কোন বিষয় নয়। এটি ন্যায়ের কথা। এটি আইনের কথা। অন্যায় হলে তার বিচার হতে হয়। কার সম্পর্কে কী মনোভাব সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়।



লাইক করুন