বাগেরহাট প্রতিনিধি
দশগম্বুজ মসজিদ ২০১১ সালে সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ ঘোষণার পরও হয়নি কোন প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্কার। বাংলাদেশে দশগম্বুজ বিশিষ্ট প্রাচীন মসজিদ অহরহ নেই। মসজিদটি বাগেরহাট তথা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। বিশ্ব ঐতিহ্য ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাটে ২০১১ সালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে গেজেটভূক্ত হয়। কিন্তু সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পরে দুটি বোর্ড স্থাপন(একটি যাতায়াতের রাস্তায়),সরেজমিনে পরিদর্শন-মতবিনিময় ও পত্র প্রদান ছাড়া সংস্কারের ব্যাপারে দৃশ্যমান আর কোন উদ্যেগ দেখা যায়নি। দশগম্বুজ মসজিদ প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্কারের ব্যাপারে স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটির পূর্ণাঙ্গ প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্কার কাজের ব্যাপারে যেহেতু অধিকাংশ স্থানীয় জনগণ সমস্যার কথা বলে ভিন্নমত পোষণ করেছে, সেক্ষেত্রে মসজিদটির বাহিরের দেওয়াল ও গম্বুজ প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্কারের জন্য অনুরোধ করছে স্থানীরা। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে ও দর্শনার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাগেরহাটের সুনাম বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। ১ লা আগষ্ট ২০২৫ ইং তারিখ শুক্রবার বাগেরহাট জেলার সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ দশগম্বুজ মসজিদ প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্কার এর যৌক্তিকতা নির্ণয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক একদল বিশেষজ্ঞগণ দশগম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন করেন। দশগম্বুজ মসজিদটি ২০১১ সালে সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে সরকারি গেজেটভূক্ত হয়।